একসঙ্গে ৩০৩টি ডিজিটাইজড সেবা চালু করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে নাগরিক সেবা আছে ৯৬টি, ব্যবসা সংক্রান্ত সেবা আছে ১৯টি এবং অভ্যন্তরীণ সেবা আছে ২১৮টি।

সমন্বিত সেবা প্রদান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মাইগভ পোর্টালে ইতোমধ্যেই যেসব প্রযুক্তি রয়েছে তার পাশাপাশি মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও সংস্থার বিদ্যমান ই-সেবার সিস্টেমসমূহ প্ল্যাটফর্মে সহজেই ইন্টিগ্রেশনের সুযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমেই সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৩০৩টি সেবা ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হওয়ার কথা জানিয়েছে এটুআই বিভাগ।

বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে সেবাগুলো উন্মুক্ত করা হয়েছে।

মাইগভ পদ্ধতির ৭টি ধাপ (প্রস্তুতি পর্ব, এনালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন, ডিজিটাইজেশন, ভ্যালিডেশন, ইন্টিগ্রেশন, লঞ্চিং, কন্টিনিউইটি এন্ড ম্যাচিউরিটি) অনুসরণ করে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে এটুআই।

এ বিষয়ে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আয়োজিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সেবাগুলোর উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদের সভাপতিত্বে এ আয়োজনে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মধ্যে অন্যতম একটি উল্লেখ করে বলেন, ই-নথির মাধ্যমে গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে দেড় কোটিরও বেশি ফাইল ডিজিটাল ব্যবস্থায় সম্পাদন করা সম্ভব হয়েছে।

“করোনাকালে ১১ হাজার অফিস ও লক্ষাধিক কর্মকর্তা এটুআই এর তৈরি ইলেক্ট্রনিক ফাইল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার (ই-নথি) ব্যবহার করেছে। এর ফলে শত শত কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।”
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন ৩০০ কোটির অধিক টাকা ব্যয়ে দেশের ৭৩টি গ্রন্থাগার, কেন্দ্রীয় আর্কাইভ এবং বাংলা একাডেমিকে ডিজিটাইজ করার বিষয়ে আইসিটি বিভাগ প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলেও জানান পলক।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ভিত্তিক হিসেবে তার মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ সংখ্যক সেবার ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন করেছে।

“মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত ১৭টি দপ্তর-সংস্থার মধ্যে ১০টি দপ্তর-সংস্থার ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৭টি সংস্থার র‌্যাপিড ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হলে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশনকৃত সেবার সংখ্যা আরো অনেক বাড়বে।”

অনুষ্ঠানে ডিজিটাইজড সেবা বিষয়ে উপস্থাপনা প্রদান করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রধান উদ্ভাবনী কর্মকর্তা অসীম কুমার দে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম ও এটুআই-এর নবনিযুক্ত প্রকল্প পরিচালক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।